বিশ্বকাপে ফেরার মঞ্চে দারুণ সূচনা করেছে অস্ট্রিয়া। তবে ৯০ মিনিটের বেশিরভাগ সময় ম্যাচটি একেবারেই একপেশে ছিলো না। বরং জর্ডান শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলো এবং বেশ কয়েকবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগও তৈরি করেছিলো।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়েছিলো অস্ট্রিয়া। যার ফল পেতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি তাদের। ২১তম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে আক্রমণে উঠে বক্সের বাইরে থেকে রোমানো শ্মিডের এক জোরালো ও দূরপাল্লার শট জর্ডানের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় অস্ট্রিয়া।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে জর্ডান। ৫০ মিনিটে নুর আল-রাওয়াবদেহ গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান। ৬৬ মিনিটে অস্ট্রিয়া আবারও গোল করার চেষ্টা করলে মার্কো আরনাউতোভিচের গোলটি হ্যান্ডবলের কারণে ভিডিও অ্যাসিস্টান্ট রেফারি (ভিএআর) বাতিল করে দেয়। ফলে ম্যাচে তখনো ১-১ সমতা ছিলো।
ম্যাচের ৭৬ মিনিটে ঘটে সেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। কর্নার থেকে আসা একটি বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে জর্ডানের ডিফেন্ডার ইয়াজান আল-আরব ভুলবশত নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন। এই আত্মঘাতী গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় অস্ট্রিয়া।
শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে জয় পায় অস্ট্রিয়া। যদিও স্কোরলাইন দেখলে সহজ ম্যাচ মনে হলেও বাস্তবে ম্যাচটি দীর্ঘ সময় জুড়ে ছিলো কঠিন লড়াইয়ে ভরা, যেখানে শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও কার্যকারিতায় এগিয়ে যায় অস্ট্রিয়া।
সূর্যয় / আয়না নিউজ