| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

তৃণমূল কার্যালয়ে আগুন-ভাঙচুর ও প্রার্থীকে মারধর, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ

  • আপডেট টাইম: 04-05-2026 ইং
  • 109 বার পঠিত
তৃণমূল কার্যালয়ে আগুন-ভাঙচুর ও প্রার্থীকে মারধর, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর ভোট গণনা ঘিরে তৈরি হয়েছে টানটান উত্তেজনা ও নাটকীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি। তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা ও পুদুচেরি সবখানেই দেখা যাচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন চিত্র, যা দেশের সামগ্রিক রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুতে সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছেন অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা থালাপতি বিজয়। তার নেতৃত্বে গঠিত নতুন দল ‘তামিলাগা ভেট্রি কাজগম (টিভিকে)’ প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েই শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। ২৩৪ আসনের মধ্যে প্রাথমিক ফলাফলে দলটি ১০৯ আসনে এগিয়ে রয়েছে, যা রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে।

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে ভোট গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। ২৯৪ আসনের এই রাজ্যে বহু আসনে বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ক্ষমতা দখলের সম্ভাবনা জোরালো করেছে দলটি। তবে লড়াই থেকে সরে যায়নি শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর আসনে শুরুতে পিছিয়ে থাকলেও পরে ঘুরে দাঁড়িয়ে এগিয়ে গেছেন।

ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সহিংসতার অভিযোগও উঠেছে। পশ্চিম বর্ধমানের জামুরিয়ায় তৃণমূলের কার্যালয়ে আগুন দেওয়া, ভাঙচুর ও প্রার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কলকাতার প্রশাসনিক সদর দপ্তর নবান্ন-এর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জানা গেছে, সম্ভাব্য অশান্তি এড়াতে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

বিজেপির এই অগ্রগতির কারণ হিসেবে দলের রাজ্য নেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, হিন্দু ভোটের একীকরণ ও আদিবাসী ভোটের সমর্থন তাদের এগিয়ে রাখছে। তবে ফল ঘোষণার প্রক্রিয়া নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার দাবি, বিজেপির আসনগুলোর ফল আগে এবং তৃণমূলের ফল পরে দেখানো হচ্ছে যা একটি পরিকল্পিত কৌশল।

এদিকে কেরালায় সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। সেখানে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে মাত্র ২ আসনে, বিপরীতে ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ এগিয়ে ২৩ আসনে। ফলে রাজ্যটির রাজনৈতিক ভারসাম্য এখনও আঞ্চলিক দলগুলোর দিকেই ঝুঁকে আছে।

সার্বিকভাবে বলা যায়, ভারতের এই বিধানসভা নির্বাচন শুধু রাজ্যভিত্তিক ক্ষমতার পালাবদলই নয়, বরং জাতীয় রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। এখন সবার নজর চূড়ান্ত ফলাফলের দিকে যা নির্ধারণ করবে আগামী দিনের রাজনৈতিক গতিপথ।

হাফিজ/ আয়না নিউজ


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪