নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে বৃষ্টির বাধায় ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে দাঁড়িয়েছে ১৫ ওভারে। টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় সফরকারী নিউজিল্যান্ড, ফলে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ।
শুরুর দিকে ভালোই ছন্দে ছিল বাংলাদেশের দুই ওপেনার। ৩ ওভার শেষে বিনা উইকেটে ২১ রান তোলে দলটি। দ্বিতীয় ওভারে সাইফ হাসানের ব্যাটে আসে দুটি বাউন্ডারি, যা দলকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে। তবে চতুর্থ ওভারে প্রথম ধাক্কা আসে—জেইডন লেনক্সের বলে আউট হন সাইফ, ১১ বলে ১৬ রান করে ফিরে যান তিনি।
এরপর দ্রুতই ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের টপ অর্ডার। পঞ্চম ওভারে নাথান স্মিথের আঘাতে পরপর উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। তানজিদ হাসান তামিম বোল্ড হন, আর পরের বলেই পারভেজ হোসেন ইমন শূন্য রানে ক্যাচ দেন। মাত্র ১০ বলের ব্যবধানে ১৪ রান তুলতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৪৩ রান। সপ্তম ওভারের চতুর্থ বলের পর বৃষ্টি নামলে প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকে খেলা। তখন ৬.৪ ওভারে বাংলাদেশের রান ছিল ৫০, লিটন দাস ২৫ ও তাওহীদ হৃদয় ২ রানে অপরাজিত ছিলেন।
বৃষ্টি থামার পর মাঠ প্রস্তুত করে বিকেল সাড়ে চারটায় খেলা আবার শুরু হয়। নতুন করে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচটি ১৫ ওভারে নামানো হয়েছে, যেখানে একজন বোলার সর্বোচ্চ ৩ ওভার বল করতে পারবেন এবং পাওয়ার প্লে নির্ধারণ করা হয়েছে ৪.৩ ওভার।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ, আর দ্বিতীয় ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়। ফলে সিরিজ নির্ধারণের এই ম্যাচেও আবহাওয়া বড় প্রভাব ফেলছে।
বাংলাদেশ একাদশে একটি পরিবর্তন এনে দলে ফিরেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড একাদশে এসেছে দুটি পরিবর্তন।
বৃষ্টির বিঘ্নের পর নতুন করে শুরু হওয়া এই ম্যাচে এখন দেখার বিষয়—চাপ কাটিয়ে কতদূর যেতে পারে বাংলাদেশ।
হাফিজ/ আয়না নিউজ