বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানকে ঘিরে ইন্ডাস্ট্রিতে নানা গল্প ও গুঞ্জন প্রচলিত। অনেকেই মনে করেন, তার মেজাজ খারাপ হলে তা ক্যারিয়ারের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কিন্তু শক্ত ও কঠোর ইমেজের আড়ালে যে তার ভেতরটা বেশ সংবেদনশীল, তারই এক ভিন্ন উদাহরণ দেখা গিয়েছিল একটি শুটিং সেটে।
ঘটনাটি ২০০৬ সালের। সে সময় সালমান খান, অক্ষয় কুমার ও প্রীতি জিনতা অভিনীত ‘জান-এ-মান’ সিনেমার শুটিং চলছিল। ছবির জনপ্রিয় বিষাদঘন গান ‘সও দার্দ’-এর দৃশ্য ধারণের জন্য পুরো ইউনিটকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিন ব্রিজে গিয়েছিলেন নৃত্য পরিচালক ফারহা খান।
সাধারণত আবেগঘন দৃশ্য ধারণের সময় অনেক অভিনেতা চোখে পানি আনার জন্য গ্লিসারিন ব্যবহার করেন। তবে ওই দিন সালমান খান কোনো কৃত্রিম উপায় ছাড়াই সত্যিকারের কান্নায় ভেঙে পড়েন। গানটির দৃশ্য ধারণের সময় তিনি এতটাই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন যে হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করেন।
সেই মুহূর্তের কথা স্মরণ করে ফারহা খান জানান, সালমানের কান্না এতটাই স্বতঃস্ফূর্ত ও আবেগপূর্ণ ছিল যে তিনি ‘কাট’ বলতেও পারেননি। বরং সালমানকে কাঁদতে দেখে তিনিও আড়ালে গিয়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।
ফারহার মতে, হয়তো সালমানের ভেতরে জমে থাকা কোনো কষ্ট সেই মুহূর্তে গানের আবেগের সঙ্গে মিশে বেরিয়ে এসেছিল। বাইরে থেকে তাকে যতটা শক্ত মনে হয়, ভেতরে তিনি ঠিক ততটাই কোমল মনের মানুষ।
সূত্র: আনন্দবাজার