ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে একাই লড়াই চালিয়ে গেলেন লিটন দাস। তার অসাধারণ সেঞ্চুরিতে ভর করে কঠিন পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।
সিলেটে বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান ২য় টেস্ট ২০২৬-এর প্রথম দিনে ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। একপ্রান্তে নিয়মিত উইকেট পতনের মিছিলে দলের অবস্থা যখন নড়বড়ে, তখন ধৈর্য ও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ইনিংসের হাল ধরেন লিটন।
দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ১৩৫ বলে ব্যক্তিগত সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই অভিজ্ঞ উইকেটকিপার-ব্যাটার। লাল বলে এটি তার ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ শতক। দিনের খেলা চলাকালে ৭০.২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২৪৭ রান। ১০৩ রানে অপরাজিত ছিলেন লিটন। তার সঙ্গে ছিলেন শরিফুল ইসলাম।
বাংলাদেশের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই স্লিপে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফেরেন ওপেনার জয়। এরপর অভিষিক্ত তানজিদ হাসান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুললেও ৩৪ বলে ২৬ রান করে বিদায় নেন।
মুমিনুল হক ও অধিনায়ক শান্ত জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে খুররম শাহজাদের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হন মুমিনুল। অন্যদিকে ভালো শুরু পেয়েও ২৯ রান করে স্লিপে ক্যাচ দেন শান্ত।
আরও পড়ুন :
টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, সিলেটে শুরু দ্বিতীয় টেস্ট
অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৬৪ বলে ২৩ রান করে এলবিডব্লিউ হন তিনি। এরপর মেহেদি হাসান মিরাজ মাত্র ৪ রান করে ফিরে গেলে বড় চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
এমন পরিস্থিতিতে লিটনের সঙ্গে মূল্যবান জুটি গড়েন তাইজুল ইসলাম। যদিও তিনি মাত্র ১৬ রান করেন, তবে ৪০ বল মোকাবিলা করে লিটনকে সময় করে দেন ইনিংস গড়ার। পরে তাসকিন আহমেদও কিছুক্ষণ সঙ্গ দিলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি।
দিনের শেষভাগে লিটনের দায়িত্বশীল ও লড়াকু ইনিংসই বাংলাদেশকে বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেছে।
হাফিজ/আয়না নিউজ