চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ–সাতকানিয়া আংশিক) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন চন্দনাইশ উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন আহমেদ। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এই খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, জসিম উদ্দিন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সহযোগী। তাঁর মালিকানায় রয়েছে কক্সবাজারের ‘রামাদা কক্সবাজার’ ও দুবাইয়ের ‘রামাদা দুবাই’ হোটেল, চট্টগ্রামের লালদীঘি এলাকায় ‘মহল মার্কেট’, খুলশীতে ‘জসিম হিল পার্ক’সহ একাধিক বাণিজ্যিক ও আবাসিক স্থাপনা। তবে তাঁর সম্পদের উৎস ও দ্রুত উত্থান নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগও রয়েছে।
কিছু স্থানীয় বিএনপি নেতা অভিযোগ করেছেন যে, জসিম উদ্দিন আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী ছিলেন এবং ক্ষমতাশীল নেতাদের সঙ্গে সখ্য রেখেছেন। একজন নেতা বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে যিনি সুবিধাভোগী ছিলেন, তাঁর হাতে ধানের শীষ দেওয়া আমাদের জন্য লজ্জাজনক। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে।”
জসিম উদ্দিন নিজে জানান, “আমি একজন ব্যবসায়ী। বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে আমার ছবি থাকতে পারে। এসব বিষয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় বিস্তারিত বলব।” এরপর তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
চট্টগ্রামের রিটার্নিং কর্মকর্তার পাঠানো তথ্যে দেখা গেছে, জসিম উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তবে বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি।