‘ইরানের এই অপরাধমূলক হামলায় ইহুদি ও আরব, ইসরায়েলি নাগরিক ও নতুন অভিবাসী—শিশু-বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে—নিহত ও আহত হয়েছেন।’
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। “নো কিংস” নামের একটি সংগঠনের আয়োজনে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। এটি মূলত ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ট্রাম্পের বিরল সামরিক কুচকাওয়াজের প্রতিবাদে আয়োজিত হয়। সূত্র: বিবিসি
ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিমানসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করছে যুক্তরাজ্য। শনিবার (১৪ জুন) এমনটাই জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
ইসরাইলের সাথে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। দেশটির রক্ষণশীল সংসদ সদস্য ইসমাইল কসারি এ মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছে ইরানি বার্তাসংস্থা আইআরআইএনএন।
একইসঙ্গে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে আক্রমণ করলে মার্কিন সামরিক বাহিনী এমন প্রতিশোধ নেবো যা আগে কখনও দেখা যায়নি বলেও তেহরানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি
আলোচনায় তিনি ইরানি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের হামলার তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং একে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি ইরানের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
ইরানের দুটি গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরানের তেল মন্ত্রণালয়
ইসরায়েলজুড়ে রাতভর হামলা চালিয়েছে ইরান। দখলদারদের হাইফা ও তেল আবিব শহরসহ বিভিন্ন অঞ্চলের লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে তেহরান। এতে কমপক্ষে ছয়জন নিহত হয়েছে।
ইসরায়েলের পরবর্তী টার্গেট কি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা? এমন প্রশ্নের উত্তরে ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র এফি ডিফ্রিন বলেন, “আমি নির্দিষ্ট করে বলব না।”
ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে যে তারা নতুন করে ইসরায়েলি হামলার জবাবে আক্রমণ শুরু করেছে। ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েলে বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ইরান আবারও বড় ধরণের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসরায়েলজুড়ে বাসিন্দাদের সুরক্ষিত স্থানে যেতে বলা হয়েছে।