| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মেহেরপুরের অনলাইন জুয়ার ‘হোতা’ মুকুল গ্রেপ্তার

  • আপডেট টাইম: 24-02-2026 ইং
  • 180198 বার পঠিত
মেহেরপুরের অনলাইন জুয়ার ‘হোতা’ মুকুল গ্রেপ্তার

জেলাজুড়ে অনলাইন ক্যাসিনো কারবার ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মেহেরপুরে সাইবার সুরক্ষা আইনে দায়ের হওয়া মামলার অন্যতম আসামি মুকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টায় মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার কোমরপুর গ্রামে মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

সম্প্রতি কার্যকর হওয়া সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৫ এর আওতায় মেহেরপুর জেলায় দায়ের হওয়া প্রথম মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মুকুল ইসলামসহ মোট ১৯ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে অনলাইন ক্যাসিনো কারবার ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগেও অভিযুক্ত করে  আসামি করা হয়েছিল বলে জানায় ডিবি পুলিশ।

মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, সাইবার আইনে দায়ের হওয়া মামলার পলাতক আসামি হিসেবেই মুকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় জব্দ করা মোবাইল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অনলাইন জুয়া বা অবৈধ লেনদেনের কোনো ট্রেস পাওয়া গেলে নতুন আরেকটি মামলা দায়ের করা হবে। অন্যথায় বিদ্যমান মামলাতেই তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলেও জানান তিনি।

সাইবার মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মুজিবনগর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়া ও অর্থপাচার চক্রের তিন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আরও ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৫-এর ২০(২), ২৪(২) ও ২৭(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

নথিতে উল্লেখ করা হয়, চক্রটি মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়াসহ আশপাশের এলাকায় অনলাইন জুয়া ও অবৈধ ই-লেনদেনের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছিল। আন্তর্জাতিক অনলাইন ক্যাসিনো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে তারা দেশি-বিদেশি অর্থপাচারে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বিকাশ, নগদ, রকেট ও উপায় অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে কোটি টাকার লেনদেনের পাশাপাশি ফেসবুক ও টেলিগ্রাম গ্রুপে দ্রুত আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলার অভিযোগও রয়েছে।

মেহেরপুর জেলায় অনলাইন জুয়ার পেছনে আলোচিত, মুকুল ইসলাম শুধু মেহেরপুর নয়, বাংলাদেশে অনলাইন ক্যাসিনোর শুরুর দিকেই গুটিকয়েক ব্যক্তির মধ্যে তিনিও একজন এজেন্ট হিসেবে যুক্ত। মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খান বলেন, অনলাইন ক্যাসিনো এজেন্টদের বিষয়ে মেহেরপুর জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। চিহ্নিত অপরাধীদের ধরতে জেলাব্যাপী অভিযান অব্যাহত থাকবে।


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪