ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ বন্যা যা সৃষ্টি হয়েছে মালাক্কা প্রণালিতে বিরল ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে তা ইতোমধ্যেই ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছে উত্তর সুমাত্রার আচেহ ও পশ্চিম সুমাত্রা অঞ্চলকে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৩১ জনে দাঁড়িয়েছে, আর নিখোঁজদের সংখ্যা প্রায় ৫০০।
বন্যার তীব্রতায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জায়গাগুলো এখনো বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটহীন। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া এসব অঞ্চলে পৌঁছাতে উদ্ধারকারীদের হাঁটতে হচ্ছে দীর্ঘ পথ—কেউ মোটরসাইকেলে করেও চেষ্টা চালাচ্ছেন মানুষের কাছে পৌঁছানোর।
“বন্যার পানির স্রোত ছিল সুনামির মতো। আমার দাদি বলেছেন, জীবনে এমন কিছু কখনো দেখেননি। এটা ছিল ভয়াবহ… সবচেয়ে ভয়াবহ।”
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে খাদ্য সংকট চরমে। কেউ কেউ দুই থেকে তিনদিন ধরে না খেয়ে আছেন। ত্রাণ বিলম্বিত হওয়ায় খাদ্যের জন্য হাহাকার দেখা দিয়েছে।
“সবকিছু ভেসে গেছে। খাবার ফুরিয়ে যাচ্ছে। উদ্ধারকারীরা আসতে পারছেন না। এখন নুডলস নিয়েও মানুষ লড়াই করছে। আমাদের খাবার—বিশেষ করে চাউল—খুব দরকার।”
ইন্দোনেশিয়ার পাশাপাশি থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং শ্রীলঙ্কাতেও বন্যা ও ভূমিধসে শত শত মানুষ মারা গেছেন। আঞ্চলিক এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ করছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।
ইন্দোনেশিয়ার এই ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি সহায়তা ও অবকাঠামো পুনর্গঠন এখন বড় চ্যালেঞ্জ।