| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

গুম প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তির বিধান রেখে গেজেট জারি

  • আপডেট টাইম: 02-12-2025 ইং
  • 351750 বার পঠিত
গুম প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তির বিধান রেখে গেজেট জারি

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশের গেজেট জারি করেছে সরকার। সোমবার (০১ নভেম্বর ) এই অধ্যাদেশের সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়। এর আগে ৬ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

নতুন এই অধ্যাদেশে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা বলা হয়েছে। গুম-সংক্রান্ত অপরাধকে করা হয়েছে জামিন ও আপস অযোগ্য।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে কোনো সরকারি কর্মচারী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য যদি কাউকে গ্রেপ্তার, আটক, অপহরণ বা স্বাধীনতা হরণ করার পর তা অস্বীকার করেন বা ওই ব্যক্তির অবস্থান গোপন রাখেন, এবং এর ফলে ব্যক্তি আইনগত সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হন তাহলে তা ‘গুম’ বা শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে দোষী প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

গুমের ফলে কেউ মারা গেলে, বা গুমের পাঁচ বছর পরও নিখোঁজ ব্যক্তির কোনো সন্ধান না মিললে, দায়ী ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে।

এছাড়া গুমের স্বাক্ষ্য–প্রমাণ নষ্ট করা, অথবা গোপন আটককেন্দ্র নির্মাণ, স্থাপন বা ব্যবহার করলেও সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

অধ্যাদেশে বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্যও কঠোর বিধান রাখা হয়েছে। অধস্তনদের গুমে সম্পৃক্ত করতে আদেশ, অনুমোদন বা প্ররোচনা দিলে, কিংবা অবহেলা বা তত্ত্বাবধানে ব্যর্থতার কারণে অধস্তনরা গুমে জড়ালে সেই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তিতে দণ্ডিত হবেন।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার আগ পর্যন্ত ‘রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে’ গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির অবস্থান গোপন রাখা যাবে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক থাকলেও অনুপস্থিতিতে বিচার চালিয়ে নেওয়ার বিধানও রয়েছে।

গুম প্রতিরোধে এই অধ্যাদেশকে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে; তবে এর বাস্তবায়ন কতটা কার্যকর হবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে দেশবাসী।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪