| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

রামিসা মামলায় রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী দেয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

  • আপডেট টাইম: 16-06-2026 ইং
  • 329 বার পঠিত
রামিসা মামলায় রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী দেয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের পক্ষে শুনানির জন্য স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফৌজদারি মামলায় অভিজ্ঞ একজন আইনজীবীকে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে নিয়োগ দিতে আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর উইংকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বর্তমানে মামলাটি ওই বিশেষ বেঞ্চের কার্যতালিকায় শুনানির জন্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন জানিয়েছে, রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির ডেথ রেফারেন্স এবং জেল আপিলের শুনানির জন্য পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়েছে। বিজি প্রেসে মুদ্রিত পেপারবুক ইতোমধ্যে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছে এবং তা যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। প্রক্রিয়া শেষ হলে যেকোনো দিন মামলাটির শুনানি শুরু হতে পারে।

এর আগে গত ৯ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য (ডেথ রেফারেন্স) সংশ্লিষ্ট নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায়ে স্বাক্ষর করার পর তা হাইকোর্টে প্রেরণ করা হয়।

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে হাইকোর্টের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। এ ধরনের বিচারিক পর্যালোচনাই ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে পরিচিত।

গত ৭ জুন বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। রায়ে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সোহেলকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

আদালত নির্দেশ দেন, আদায়কৃত অর্থ ভিকটিম রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীদের প্রদান করতে হবে। অর্থদণ্ড পরিশোধ না করলে আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ক্ষতিপূরণ পরিশোধের ব্যবস্থা করতে হবে।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত উল্লেখ করেন, হত্যার আগে রামিসাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল এবং তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এছাড়া সোহেল রানা স্বেচ্ছায় অপরাধ স্বীকার করেছিলেন এবং পরে সেই স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের কোনো আবেদন করেননি। আদালতের মতে, স্বপ্না আক্তার অপরাধের পর স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করেছেন এবং অপরাধ প্রতিরোধে কোনো ভূমিকা পালন করেননি, যা তার দায়কে আরও স্পষ্ট করেছে।

হাফিজ/ আয়না নিউজ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪