| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের যুগপৎ ‘প্যাকেজ কর্মসূচি’

  • আপডেট টাইম: 24-04-2026 ইং
  • 228 বার পঠিত
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের যুগপৎ ‘প্যাকেজ কর্মসূচি’

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং ‘জুলাই সনদ’ কার্যকরের দাবিতে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট দেশজুড়ে ধারাবাহিক আন্দোলন শুরু করেছে।

জোটের নেতারা জানিয়েছেন, তাদের দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলনের পরিধি আরও বিস্তৃত করা হবে। তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে জনগণের মতামত ও গণরায়ের যথাযথ বাস্তবায়ন হয়নি, যার ফলে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে।

জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী সমাবেশ, মিছিল এবং গণসংযোগ কার্যক্রম চালানো হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের সমর্থন আদায়ের জন্য প্রচার অভিযানও জোরদার করা হবে।

নেতারা আরও বলেন, ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন ছাড়া দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানান।

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আন্দোলন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণযোগ্য অবস্থায় রয়েছে।

জোটের পক্ষ থেকে আগামী দিনগুলোতে আরও কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

নতুন ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ২৫ এপ্রিল বিভাগীয় শহরগুলোতে এবং ২ মে জেলা শহরগুলোতে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় ও জেলা শহরে সেমিনার ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এর মধ্যেই ঢাকায় পরপর দুই দিন বড় সমাবেশ আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়েছে জোটের প্রধান দল জামায়াতে ইসলামী ও তাদের মিত্ররা।

১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে বিপুল সংখ্যক মানুষ সংবিধান সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছে। কিন্তু সেই রায়ের বাস্তবায়নে বিলম্ব হওয়ায় রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তিনি দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি জানান।

অন্যদিকে বিএনপি দাবি করছে, তারা ‘জুলাই সনদ’-এর অধিকাংশ বিষয় বাস্তবায়নে কাজ করছে এবং কিছু বিষয়ে সময় প্রয়োজন। তবে জোটের নেতারা এই অবস্থানকে অসন্তোষজনক বলে মন্তব্য করেছেন।

জোটের নেতাদের ভাষ্য, তাদের আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বাধ্য করা। তারা জানান, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ধাপে ধাপে কর্মসূচির তীব্রতা বাড়ানো হবে এবং প্রয়োজনে হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচিও দেওয়া হতে পারে।

এরই অংশ হিসেবে আগামী ২৫ এপ্রিল ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি জাতীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে রাজধানীর বাইরে দেশের বিভিন্ন মহানগরীতেও গণমিছিল কর্মসূচি পালন করা হবে।

জোটের নেতারা আশা করছেন, শান্তিপূর্ণ এই আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণের দাবি আদায় সম্ভব হবে। তবে দাবি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে আন্দোলন আরও কঠোর রূপ নেবে বলেও তারা সতর্ক করেছেন।

হাফিজ/ আয়না নিউজ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪