| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ইসিতে আলোচনায় ছাত্রদলের প্রতিনিধি দল

  • আপডেট টাইম: 18-01-2026 ইং
  • 298554 বার পঠিত
ইসিতে আলোচনায় ছাত্রদলের প্রতিনিধি দল

ব্যালট পেপারে অনিয়ম ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। পরে সংগঠনটির একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে ইসিতে প্রবেশ করে।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে যায়।

এর আগে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আমাদের আলোচনায় বসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমরা সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছি। প্রতিনিধি দলের কয়েকজন সদস্য আলোচনায় অংশ নেবেন। আলোচনায় যাওয়ার আগে আমরা নিজেদের মধ্যে প্রস্তুতি সভা করেছি।

এর আগে বেলা ১১টায় পূর্বঘোষিত ‘নির্বাচন কমিশন কার্যালয় ঘেরাও’ কর্মসূচি পালন করতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সামনে জড়ো হন ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। কর্মসূচিতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এবং বিভিন্ন থানা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এতে সহস্রাধিক নেতাকর্মীর উপস্থিতি দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, নির্বাচন ভবনের সামনে সড়কে পুলিশের ব্যারিকেডের সামনে ও বিপরীত পাশে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। কয়েকটি গ্রুপকে খণ্ড খণ্ডভাবে স্লোগান দিতে দেখা যায়। সড়কে বসে পড়ার কারণে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং পথচারীদের বিকল্প পথে চলাচল করতে হয়।

সকালে কর্মসূচি শুরুর আগে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ব্যালট পেপার ইস্যুসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগের কারণে আমরা নির্বাচন কমিশনের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এখানে এসেছি। একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করছে। তারা কমিশনের ভেতরে অবাধে যাতায়াত করছে এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে চাপ সৃষ্টি করছে।

তিনি আরও বলেন, এই জবরদস্তিমূলক সিদ্ধান্ত ও বিশেষ গোষ্ঠীর প্রভাব বন্ধ না হলে ছাত্রদল আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

ছাত্রদলের পক্ষ থেকে উত্থাপিত তিনটি প্রধান অভিযোগ হলো—

১. পোস্টাল ব্যালট সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট ও প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর সন্দেহ সৃষ্টি করেছে।

২. বিশেষ একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপে নির্বাচন কমিশন দায়িত্বশীল ও যৌক্তিক সিদ্ধান্তের পরিবর্তে হঠকারী ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা কমিশনের স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

৩. বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ প্রভাব ও হস্তক্ষেপে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন বিষয়ে নজিরবিহীন ও বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য অশনিসংকেত।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪