দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও শ্রীলঙ্কা উপকূলের কাছে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ আরও ঘনীভূত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করছে এবং বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও শ্রীলঙ্কা উপকূলে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ ক্রমশ শক্তিশালী রূপ নিচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বিশেষ বিজ্ঞপ্তি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সবশেষ বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (বিজ্ঞপ্তি-৬) জানানো হয়েছে, শ্রীলঙ্কা উপকূল ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে একই এলাকায় (৮.৫° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮১.০° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। শুক্রবার দুপুর ১২টায় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৯৪০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৮৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৮২০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানান, ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বেড়ে যাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে নিকটবর্তী সমুদ্র এখন খুবই উত্তাল।
এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে না যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।