বাংলাদেশে জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, যাকে অনেকেই ‘ঢাকার কসাই’ নামে চিনেন তাকে খুব শিগগিরই দেশে প্রত্যর্পণ করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শুক্রবার ( নভেম্বর ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে প্রেস সচিব লেখেন, যে জুলাই মাসের গণহত্যায় জড়িত অভিযোগে অভিযুক্ত শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এবং আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতাদের বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার মুখোমুখি করা হবে।
তিনি আরও জানান, ভারত ইতোমধ্যেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধ পরীক্ষা করছে।
প্রেস সচিবের ভাষ্যে অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের প্রতি সহানুভূতিশীল মানুষ থাকলেও, ‘ঢাকার কসাই’ খ্যাত আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে খুব শিগগিরই বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার প্রায় ১৬ বছরের শাসনামলে সংঘটিত অপরাধ নিয়ে যত বেশি তদন্ত এগোচ্ছে, ততই গণহত্যা এবং জোরপূর্বক গুমে কামালের ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের নজর বাড়ছে।
ফেসবুক পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, কামাল বা অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতারা যত অর্থ ব্যয়ই করুক না কেন, জবাবদিহিতা থেকে স্থায়ীভাবে逃ানো সম্ভব হবে না।
জুলাই মাসের গণহত্যার শিকারদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার ও জাতি যদি দৃঢ় থাকে, তাহলে অপরাধীদের পক্ষে দায় এড়ানো ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠবে।
প্রেস সচিবের মতে এই প্রক্রিয়া কামালকে দিয়ে শুরু হবে এবং এরপর অন্যান্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকে শুরু করে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোতে বড় ধরনের অগ্রগতি হচ্ছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। কামালের প্রত্যর্পণ হলে সেই প্রক্রিয়ায় বড় এক ধাপ এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।