বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বাউল ও সাধু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে সরকার। হামলাকারীদের গ্রেফতারে চলছে সাঁড়াশি অভিযান।
বৃহস্পতিবার ( ২৭ নভেম্বর ) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান,বাউলদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বাউলদের ওপর যারা হামলা করেছেন, তাদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মানিকগঞ্জসহ যেখানে যেখানে হামলা হয়েছে, সেখানে সাঁড়াশি অভিযান চলছে।
সম্প্রতি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া বাউল আবুল সরকারের মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি করতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় হামলার শিকার হন বাউলরা।
মানিকগঞ্জে হামলার ঘটনায় তিনজন আহত হন। এরপর এই ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনেও আবার হামলার ঘটনা ঘটে।
বুধবার বিকেলে নগরীর শিববাড়ি মোড়ে গণতান্ত্রিক ছাত্রজোট আয়োজিত মানববন্ধনে হামলা হয়। বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রী, ছাত্র গণমঞ্চ ও ছাত্র ইউনিয়নের অন্তত ১৫ জন আহত হন। এমনকি তাদের ব্যানারও পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
ঠাকুরগাঁওয়েও বুধবার একই পরিস্থিতি। প্রতিবাদ সমাবেশ শুরুর আগেই বাউলশিল্পীদের ওপর হামলা হয়। তিনজন আহত হন, আর সমাবেশ আর অনুষ্ঠিত সম্ভব হয়নি।
হামলাকারীরা যেই হোক তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে সরকার। তবে এসব ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে। সহনশীলতার সংস্কৃতির জন্য পরিচিত বাংলাদেশ কি ক্রমেই অসহিষ্ণুতার দিকে ধাবিত হচ্ছে।