ড্যান্ডি ডায়িংয়ের বিরুদ্ধে সোনালী ব্যাংকের ৪৫ কোটি টাকার ঋণখেলাপির মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ মোট ১৬ জন বিবাদী ছিলেন।
মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর। ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়ের করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। মামলায় ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকার ঋণখেলাপির অভিযোগ ছিল।
পরবর্তীতে, বিবাদী আরাফাত রহমান কোকো মারা যাওয়ায় ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক অংশীদারিত্ব মামলায় তার মা খালেদা জিয়া, স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে ২০১৫ সালে আদালতে বিবাদী করা হয়।
২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আদালত খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে ইস্যু গঠন করেন। মামলার অন্যান্য বিবাদীর মধ্যে ছিলেন—ড্যান্ডি ডায়িং লিমিটেড, কোকোর পরিবার, শামস এস্কান্দারের সন্তানরা, তাদের স্ত্রী/সন্তান এবং আরও কয়েকজন ব্যক্তি।
বুধবার ( ২৬ নভেম্বর ) সোনালী ব্যাংকের আবেদনের ভিত্তিতে ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর বিচারক সাদেকিন হাবিব বাপ্পি মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করেন। ব্যাংকের প্যানেল আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, “ড্যান্ডি ডায়িং ব্যাংকের টাকা পরিশোধ করার পর আমরা সোনালী ব্যাংকের পক্ষে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করি। আদালত তা মঞ্জুর করেছেন।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী মোস্তাক আহম্মেদ কয়েলও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং বলেন, আদালত মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করেছেন।
এভাবে দীর্ঘ প্রায় এক যুগ ধরে চলা মামলাটি চূড়ান্তভাবে শেষ হলো, আর ৪৫ কোটি টাকার ঋণখেলাপি মামলা থেকে সব বিবাদী মুক্তি পেলেন।