| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা জোরদার ও বাণিজ্য বাড়াতে একমত বাংলাদেশ–তুরস্ক

  • আপডেট টাইম: 05-06-2026 ইং
  • 367 বার পঠিত
প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা জোরদার ও বাণিজ্য বাড়াতে একমত বাংলাদেশ–তুরস্ক

বাংলাদেশ ও তুরস্ক প্রতিরক্ষা শিল্প, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে একমত হয়েছে। দুই দেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারিত্বের নতুন উচ্চতায় নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান-এর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দুই পক্ষই সহযোগিতার নানা দিক তুলে ধরেন।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে এবং এ বিষয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি জানান, দুই দেশের বার্ষিক বাণিজ্য বর্তমান ১.৩ বিলিয়ন ডলার থেকে ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ–তুরস্ক আলোচনায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্প অংশীদারিত্ব এবং প্রযুক্তি সহযোগিতার বিষয়গুলোও গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে টেক্সটাইল, প্রতিরক্ষা সামগ্রী উৎপাদন, জাহাজ নির্মাণ, ওষুধ শিল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, আইসিটি ও বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তুর্কি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বরাদ্দের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকায় আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল ও নার্সিং ইনস্টিটিউট স্থাপনেরও আহ্বান জানানো হয়। তুরস্কের নাগরিকদের জন্য একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার বিষয়েও আলোচনা হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এবং অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে, যা দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও গতিশীল করবে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে প্রায় ৩ হাজার বাংলাদেশি নাগরিক তুরস্কে বসবাস করছেন, যাদের বেশিরভাগই শিক্ষার্থী। তাদের জন্য বৃত্তির সুযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রায় ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ মানবিক দায়িত্ব পালন করছে। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে তুরস্ক আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে।

সংবাদ সম্মেলনে দুই দেশ সাংস্কৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কথাও উল্লেখ করে। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যুতে সহযোগিতা জোরদারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

দুই দেশের পক্ষ থেকেই বলা হয়, বর্তমান বৈঠক বাংলাদেশ–তুরস্ক সম্পর্ককে আরও গভীর ও কৌশলগত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

হাফিজ/ আয়না নিউজ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪