| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধরের ঘটনায় ৩ পুলিশ প্রত্যাহার

  • আপডেট টাইম: 04-06-2026 ইং
  • 246 বার পঠিত
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধরের ঘটনায় ৩ পুলিশ প্রত্যাহার

রংপুর কোতোয়ালি থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজাদ রহমান ও কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কোতোয়ালি থানায় এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার রাকিবুল ইসলাম সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব।

স্বেচ্ছাসেবক দলের ওই নেতা ওসির বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুললেও তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে রংপুর মহানগর পুলিশ।

অভিযোগে তিনি বলেন, থানার ভেতরে ওসি আজাদ রহমানের নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে মারধর করেন।

ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা নারী কনস্টেবল লিমা সরেন, ডিউটি অফিসার মেহেরুন্নেসা ও উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ রানাকে পুলিশ লাইনসে রিপোর্ট (ক্লোজ) করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেল ।

ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) নরেশ চাকমাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন ডিসি (ক্রাইম) মো. মাহফুজুর রহমান এবং কোতোয়ালি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) সুকুমার রায়। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে এক বিজ্ঞপ্তিতে।

ওসিকে অভিযুক্ত বলার আগে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে হবে। এখনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেব বলে জানিয়েছেন রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ এক প্রেমিক যুগলকে উদ্ধারের পর বুধবার সন্ধ্যায় কোতোয়ালি থানায় আনা হয়। বিষয়টি মিমাংসার জন্য স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন নেতা থানায় যান। তাদের সঙ্গে ছিলেন সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাকিবুল ইসলামও।

থানার ভেতরে উদ্ধার হওয়া যুগলকে এক পুলিশ সদস্য মারধর করছিলেন। বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়ে দলের এক নেতাকে ফোন করতে গেলে ওসি ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য তার ওপর চড়াও হন। পরে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন রাকিবুল ইসলাম।

খবর পেয়ে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা থানার সামনে জড়ো হন। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় রাকিবুল ইসলামের শরীরে রক্তের দাগ ও আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। এ সময় তিনি বলেন, এখানে ওসি, এসআই ধরে আমাকে মারলো। বারবার তাদের অনুরোধ করেছি, পরিচয় দিয়েছি যে আমি স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব, বিএনপির একজন কর্মী। তারপরেও তারা আমাকে মেরেছে। বন্দুক দিয়ে মেরেছে। আমার ফোন দুইটা কেড়ে নিয়েছে। মারধরের পর পুলিশ সদস্যরা তাকে জোর করে নিয়ে গিয়ে শরীরে লেগে থাকা রক্ত ধুয়ে দেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সামনে রক্তমাখা তুলা দেখান এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানের আঘাতের চিহ্ন দেখান।

পোশাক পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু পুলিশের চরিত্র পরিবর্তন হয়নি। তাদের আচরণে এখনো স্বৈরাচারী শাসনের ছাপ দেখা যায়। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া না হলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। প্রয়োজনে কোতোয়ালি থানা ঘেরাও করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাকারিয়া ইসলাম জিম। ড়ে ৯টার দিকে কোতোয়ালি থানায় এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার রাকিবুল ইসলাম সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব।

আল রাজীব/ আয়না নিউজ


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪