মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কান্দারপাড়া গ্রামটি কার্যত পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। সাত বছর বয়সি শিশু আতিকা আক্তার নিখোঁজ হলে প্রতিবেশীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতে শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের পরে অভিযুক্ত কিশোর,তার বাবা ও চাচাকে ডেকে এনে গণপিটুনিতে হত্যা এবং একই সঙ্গে অজ্ঞাত আসামির তালিকায় গ্রেফতার আতঙ্কে এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন সব পুরুষ।
গত ১৬ এপ্রিল বিকেলে সাত বছর বয়সি শিশু আতিকা আক্তার নিখোঁজ হলে স্থানীয় প্রতিবেশী এক কিশোরকে আটক করলে জিজ্ঞাসাবাদে সেস্বর্ণালংকার নেওয়ার জন্য শিশুটিকে হত্যা করে পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে ফেলে রাখে জানালে সেখান থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত কিশোরের বাবা ও চাচাকে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর গণপিটুনিতে তারা নিহত হলে মরদেহ পানিতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
আরও পড়ুন-
বেশি দামে ডিজেল বিক্রির দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
এ ঘটনায় উভয় পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এক মামলায় য়েকজনের নাম উল্লেখ করা হলেও অন্য মামলায় বহু অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হলে এই অজ্ঞাত আসামির তালিকাকেই গ্রেফতার আতঙ্কের প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। ফলে পুরুষ হীন পরিবারগুলো চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকরাম হোসেন জানিয়েছেন, হত্যার দুইদিন পর শনিবার (১৮ এপ্রিল) ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থেকে পুলিশ নাঈমকে আটক করলে তার দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী স্বর্ণের গহনা উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সালাউদ্দিন বলেন, একটি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পরই গ্রামবাসী জড়িয়ে পড়েন অন্য অপরাধে। উভয় পক্ষের দায়ের করা মামলাগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।
এফএ/ আয়না