ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন বাংলাদেশের সরকার ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর যে অনুরোধ ভারত সরকারকে জানিয়েছিল তা পর্যালোচনা করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।চলমান বিচারিক ও আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে (শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর) অনুরোধটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আমরা এই ইস্যুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীদারদের সঙ্গে এ ব্যাপারে গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাবো, বলে গতকাল শুক্রবার নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল এ কথা বলেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শিক্ষার্থী-জনতার তীব্র আন্দোলন ও অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারতে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের আশ্রয়ে বর্তমানে নয়াদিল্লির একটি বাড়িতে থাকছেন। অভ্যুত্থানের পর ড. মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে একাধিকবার শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে অনুরোধ জানালে তখন ভারত সরকারের পক্ষ থেকে অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছিল।
আরও পড়ুন-
৪ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনকারী দল বিএনপি সেই নিষেধাজ্ঞাকে আইনে পরিণত করায় শুক্রবারের ব্রিফিংয়ে নতুন এই আইনের ব্যাপারে সাংবাদিকরা জয়সওয়ালের দৃষ্টি আকর্ষণ করায় এই মুখপাত্র বলেন, “আমরা ঘটনাপ্রবাহ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।”
সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে জয়সওয়াল জানিয়েছেন, “অতীতে আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছিলেন, এবারও তা-ই পুনর্ব্যক্ত করেছেন; আর তা হলো বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে ভারত গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকতে চায়।”
এফএ/ আয়না