| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধবিরতি আলোচনা ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা

  • আপডেট টাইম: 11-04-2026 ইং
  • 17743 বার পঠিত
পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধবিরতি আলোচনা ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা

পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধবিরতি আলোচনা ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা। কূটনৈতিক আলোচনা শুরুর প্রাক্কালে ওয়াশিংটন থেকে ‘সতর্ক আশাবাদ’-এর বার্তা দেওয়া হয়েছে। আলোচনাটি ঘিরে সম্ভাবনার পাশাপাশি অনিশ্চয়তার কথাও স্বীকার করেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

শুক্রবার সন্ধ্যায় এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল দক্ষ এবং আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হতে পারে। তবে তিনি ফলাফল সম্পর্কে আগাম কোনো নিশ্চয়তা দিতে চাননি।

তিনি বলেন, “দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী হয়। সেখানে জেডি, স্টিভ এবং জ্যারেড আছে। আমাদের একটি শক্তিশালী দল রয়েছে, তারা আগামীকাল বৈঠকে বসবে।”

প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ শীর্ষ উপদেষ্টারা। তাদের নেতৃত্বেই ইসলামাবাদে আলোচনা এগোবে।

ট্রাম্প এই আলোচনাকে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি–কে ঘিরে ভূরাজনৈতিক স্বার্থ আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

তিনি বলেন, “প্রণালিটি খুলে যাবে। আমরা যদি এটিকে ছেড়ে দিই, তবে এটি এমনিতেই খুলবে।” যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি এই নৌপথের ওপর নির্ভরশীল নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন:

পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি আলোচনা ঘিরে তীব্র উত্তেজনা

তবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে বিকল্প পরিকল্পনা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে বলেন, “কোনো ব্যাকআপ প্ল্যানের প্রয়োজন নেই।” তার এই বক্তব্যে একদিকে আত্মবিশ্বাস, অন্যদিকে পরিস্থিতির অনিশ্চয়তাও ফুটে উঠেছে।

অন্যদিকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আলোচনাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, আলোচনা ভালো হতে পারে, তবে তেহরান যেন কোনো ধরনের কৌশলী আচরণ বা প্রতারণার চেষ্টা না করে। তার এই মন্তব্যে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অবিশ্বাসের প্রতিফলন স্পষ্ট।

এদিকে আলোচনার ভেন্যু হিসেবে ইসলামাবাদ–কে সামনে এনে পাকিস্তান নিজেকে একটি সহায়ক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উপস্থাপন করেছে। দেশটি সরাসরি মধ্যস্থতা না করে আলোচনার পরিবেশ তৈরি করতে ভূমিকা রাখছে।

ওয়াশিংটনে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত রিজওয়ান সাঈদ শেখ এই উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এটি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সংলাপের সুযোগ তৈরি করেছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের অগ্রগতির পথ খুলে দিতে পারে।

হাফিজ/ আয়না নিউজ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪