দিনক্ষণ সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনে চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি। আগামী ১০ ডিসেম্বরই ঘোষণা হতে পারে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল এমন ইঙ্গিত মিলেছে কমিশন সূত্রে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ওই দিন সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। ভাষণে তিনি তফসিল ঘোষণা ছাড়াও ভোটের সময়সূচি, প্রার্থীতা জমা ও যাচাই–বাছাই, প্রতীক বরাদ্দ এবং ভোটগ্রহণ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা তুলে ধরবেন।
সিইসি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষণ রেকর্ড করার জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলদেশ বেতারকে চিঠি দিয়েছে। রেকর্ডের জন্য ১০ ডিসেম্বর ডাকা হয়েছে। তবে কোন সময় রেকর্ড হবে তা কমিশন জানিয়ে দেবে।
ইসির অভ্যন্তরীণ বৈঠক ও প্রস্তুতির ভিত্তিতেই ধারণা করা হচ্ছে তফসিল ঘোষণার পরপরই মাঠ পর্যায়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে সক্রিয় করা হবে।
সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) তফসিল ঘোষণা হতে পারে। আর ১২ ফেব্রুয়ারি হতে পারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। তবে ৮ ও ১০ ফেব্রুয়ারির সম্ভাবনাও আছে।
নির্বাচন কমিশন ভোটের তফসিল ঘোষণার সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানিয়েছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।
সরকারপ্রধান এ ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও ঐতিহাসিক নির্বাচন উপহার দিতে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন।
এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে তফসিল ঘোষণাকে ঘিরে ইতোমধ্যে উত্তাপ বাড়ছে। বিভিন্ন দল নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার করেছে।
সব মিলিয়ে, ১০ ডিসেম্বরের ঘোষণা ঘিরে এখন সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ নির্বাচন ভবনে।