বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফজলুর রহমান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ট্রাইব্যুনাল অবমাননার অভিযোগ থেকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্যানেল এ সিদ্ধান্ত দেন। অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
ফজলুর রহমানের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।
শুনানিতে ফজলুর রহমান নিজের টকশোতে দেওয়া মন্তব্যের জন্য ট্রাইব্যুনালের কাছে অনুকম্পা চেয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চান। এ সংক্রান্ত অভিযোগের কারণে তাকে আদালতে সশরীরে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল আইন চ্যালেঞ্জ করা, আদালতের নিরপেক্ষতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ এবং প্রসিকিউশনের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ আনা হয়েছিল। প্রসিকিউশন আদালতকে জানান, ফজলুর রহমান ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া ও গঠন প্রক্রিয়াকে সমর্থন করেননি।
ট্রাইব্যুনাল স্পষ্ট করেন যে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১৯৭৩ সালে আইন প্রণীত হয়েছিল এবং ১৯৭৩ সালের আগে ও পরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করার ক্ষমতা রাখে।
শুনানিতে ভিডিও ফুটেজের পর্যালোচনা শেষে গুরুতর মন্তব্যের অভিযোগে ফজলুর রহমানকে ট্রাইব্যুনালকে সম্মান জানিয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলে অব্যাহতি দেওয়া হয়।