দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর অবশেষে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন কিয়ার স্টারমার। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার সোমবার (২২ জুন) পদত্যাগ করতে পারেন বলে দাবি করেছে ব্রিটিশ সংবাদপত্র অবজারভার। তবে দেশটির সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে তার দায়িত্ব পালনের দিকেই মনোযোগী রয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, অবজারভারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্টারমার সোমবার পদত্যাগ করে তার বিদায়ের একটি সময়সূচি ঘোষণা করতে পারেন।
গত কয়েক মাস ধরেই তার নেতৃত্ব নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে শুক্রবার, যখন তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহাম পার্লামেন্টের একটি আসনে জয় পান। এর ফলে তিনি ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নেতৃত্বের প্রশ্নে স্টারমারের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারেন।
অবজারভারের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সম্ভাব্য পদত্যাগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন স্টারমার। এ অবস্থায় সোমবারের মধ্যে তার কাছ থেকে একটি স্পষ্ট বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছেন লেবার পার্টির শীর্ষ নেতারা।
এর আগে শুক্রবার স্টারমার বলেছিলেন, তার নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোনো চ্যালেঞ্জ এলে তিনি তা মোকাবিলা করবেন। একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে জড়িয়ে দলকে বিভক্ত না করতে।
২০২৪ সালের নির্বাচনে স্টারমারের নেতৃত্বে ভূমিধস জয় পেয়েছিল লেবার পার্টি। তবে দুই বছরের মধ্যেই তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। অনেক ভোটারের অভিযোগ, জীবনমান উন্নয়নের যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নে সরকার প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখাতে পারেনি।
আল রাজীব/ আয়না নিউজ