রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে তদন্ত কর্মকর্তা আসামির স্বেচ্ছা জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করেন।
একই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে পৃথক আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে জানান, ভুক্তভোগী শিশু রামিসা আক্তার (৮) স্থানীয় একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বাসা থেকে বের হলে তাকে কৌশলে একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরে সকালে শিশুটিকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা অনুসন্ধান শুরু করেন। একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাট থেকে তার কিছু জিনিসপত্র পাওয়া গেলে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করা হয় এবং শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর অভিযুক্ত সোহেল রানা ফ্ল্যাটের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানানো হয়েছে।
হাফিজ/ আয়না নিউজ