| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

বাউফলে ‘স্বপ্নের সেতু’ প্রকল্প ঘিরে উত্তেজনা, অবরুদ্ধ সেতুমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম: 19-05-2026 ইং
  • 111944 বার পঠিত
বাউফলে ‘স্বপ্নের সেতু’ প্রকল্প ঘিরে উত্তেজনা, অবরুদ্ধ সেতুমন্ত্রী

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় উন্নয়ন প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রমে গিয়ে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের অবরোধ ও বিক্ষোভের মুখে প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মঙ্গলবার (১৯ মে) উপজেলার লোহালিয়া নদী এলাকায় প্রস্তাবিত ‘স্বপ্নের সেতু’ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে অংশ নিতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, পরে মন্ত্রী নদীর পূর্বপাড়ে আয়োজিত একটি সভায় যোগ দিতে ফেরিতে ওঠেন। ওই সভার আয়োজন করেছিলেন বাউফল আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত সমর্থিত নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

তবে সভাস্থলে মন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীরা বাধা দেন। মন্ত্রী পূর্বপাড়ে পৌঁছানোর পরপরই বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিভিন্ন দিক থেকে ঘিরে ফেলে সেতুমন্ত্রীর গাড়িবহর অবরুদ্ধ করা হয়। এ সময় দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে থাকেন।

প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে—এমন পরিস্থিতিতে সেতুমন্ত্রী একই ফেরিতে করে পশ্চিমপাড়ে ফিরে যান। পরে তিনি গাড়িবহর নিয়ে পটুয়াখালীর উদ্দেশে রওনা দেন।

ঘটনাস্থলে আলতাফ হোসেন চৌধুরীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন বাউফলের সাবেক প্রার্থী শহীদুল আলম তালুকদার।

স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়, জামায়াত আয়োজিত সভায় মন্ত্রীর অংশগ্রহণ ঠেকাতেই বিএনপির নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে বাধা সৃষ্টি করেন। তবে ঘটনাস্থলে থাকা বিএনপির নেতাকর্মীদের অবস্থান থেকে পাল্টা অভিযোগও পাওয়া গেছে।

উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ বলেন, সভাস্থলের ব্যানারে প্রধানমন্ত্রীর ছবি না থাকায় নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে মন্ত্রীকে অবরুদ্ধ করেন। তবে বিস্তারিত তিনি আর জানাননি।

ঘটনার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম কিংবা স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতারা।

উল্লেখ্য, বাউফলের লোহালিয়া নদীতে বাংলাদেশ-চীন নবম মৈত্রী সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা বিগত সরকারের সময় নেওয়া হলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর প্রকল্পটি স্থবির হয়ে পড়ে। পরে সংসদে প্রকল্পটির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে পুনরায় উদ্যোগ নিতে সফর করেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ঘটনার পর প্রস্তাবিত ‘স্বপ্নের সেতু’ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

হাফিজ/ আয়না নিউজ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪