ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্ব শান্তির জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুদ্ধ বন্ধে ওয়াশিংটনের দেওয়া শর্ত ও দাবি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।
রোববার (১০ মে) যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর সোমবার (১১ মে) ইরানের পক্ষ থেকে এই কঠোর অবস্থান জানানো হয়। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পাল্টা প্রস্তাবকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে নাকচ করে দেন। এরপরই তেহরান আরও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানায়।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘেই এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও ঘাঁটিগুলোই সংঘাত ও অস্থিরতার মূল কারণ।
তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র যেসব শর্ত দিয়েছে তা একেবারেই অযৌক্তিক, অথচ ইরানের শর্তগুলো পুরোপুরি ন্যায্য।
ইরানের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার, জলদস্যুতা বন্ধ এবং জব্দকৃত ইরানি অর্থ ও সম্পদ ফেরত দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি উন্মুক্ত রাখুক। দুই পক্ষের এই বিপরীত অবস্থানের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
গত ৮ এপ্রিল দুই দেশের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে নৌ-অবরোধ আরোপের ঘোষণা দেয়। ফলে শান্তি প্রক্রিয়া আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
হাফিজ/ আয়না নিউজ