| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ঢাকায় বাংলাদেশ-ইইউ সংলাপ : বাণিজ্য, অভিবাসন ও সংস্কার ইস্যুতে অগ্রাধিকার

  • আপডেট টাইম: 28-04-2026 ইং
  • 163026 বার পঠিত
ঢাকায় বাংলাদেশ-ইইউ সংলাপ : বাণিজ্য, অভিবাসন ও সংস্কার ইস্যুতে অগ্রাধিকার

ঢাকায় বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে পঞ্চম দফার কূটনৈতিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ২৯ এপ্রিল। ব্রাসেলসে অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি (পিসিএ) অনুস্বাক্ষরের পর এ সংলাপ দুই পক্ষের সম্পর্ককে আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দেড় দিনের সফরে ইইউর এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এরিক কুর্জওয়েল ২৮ এপ্রিল রাতে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সংলাপে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, বৈঠকে রাজনীতি, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, উন্নয়ন, নিরাপত্তা, মানবিক সহায়তা, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন, সুনীল অর্থনীতি এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতিসহ বিস্তৃত বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। পাশাপাশি গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাও গুরুত্ব পাবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে ইইউর সঙ্গে পিসিএ অনুস্বাক্ষর বাংলাদেশের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক সাফল্য। আসন্ন সংলাপে এই চুক্তির বাস্তবায়ন ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরুর বিষয়ে ইইউর আগ্রহ চায়।

অভিবাসন ইস্যুও সংলাপে বিশেষ গুরুত্ব পাবে। বৈধ অভিবাসন বাড়ানো, দক্ষ জনশক্তি পাঠানো এবং ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ উদ্যোগ বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হবে। পাশাপাশি ইউরোপে অবস্থানরত অবৈধ বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসন নিয়েও কথা হতে পারে।

ব্রাসেলসের কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইইউর পক্ষ থেকে সংবিধান, বিচার বিভাগীয় সংস্কার, শ্রমখাত, বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় নিয়ন্ত্রক কাঠামো নিয়ে বাংলাদেশের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হতে পারে। এছাড়া গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকারের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে। ইউরোপীয় কোম্পানি থেকে এয়ারবাস কেনার প্রসঙ্গও আলোচনায় উঠতে পারে।

সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশ ও ইইউর মধ্যে বর্তমানে সুসম্পর্ক বিরাজ করছে এবং উভয় পক্ষই এই সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী। পিসিএ চুক্তির মাধ্যমে দুই পক্ষের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি ব্রাসেলসে ইইউ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং ইইউর হাই-রিপ্রেজেন্টেটিভ কায়া কালাসের উপস্থিতিতে পিসিএ অনুস্বাক্ষর হয়। এই চুক্তিকে দুই পক্ষই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে দেখছে।

আসন্ন কূটনৈতিক সংলাপকে তাই বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

হাফিজ/ আয়না নিউজ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪