জাল ও ভুয়া সনদের অভিযোগে দেশের কলেজ পর্যায়ের ৩৩০ জন প্রভাষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২০তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। বিকেলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের উত্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) নিয়মিতভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে জাল ও ভুয়া সনদে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগসহ বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় উদ্ঘাটিত হয়েছে।
তিনি জানান, ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ডিআইএর প্রতিবেদন অনুযায়ী কলেজ পর্যায়ে মোট ২০২ জন প্রভাষকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত ৭৪ জন শিক্ষকের বেতন-ভাতা ২০২৩ সালের জুলাই থেকে স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া এমপিওবিহীন ১২৮ জন প্রভাষকের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট গভর্নিং বডির মাধ্যমে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এর আগে সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস তার প্রশ্নে উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত ডিআইএর তদন্ত ও নিরীক্ষায় দেশের ৯৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যাপক অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে। এতে জাল সনদে নিয়োগ এবং আর্থিক অনিয়মের বিষয়ও সামনে আসে।
জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতে এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং ভবিষ্যতেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
হাফিজ/ আয়না নিউজ