ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিনে একযোগে ১২টি বিল পাস হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এসব বিল পাস করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিলগুলো পাস হয়।
পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা নয়টি অধ্যাদেশ অবিকল রেখে বিল হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে এসব অধ্যাদেশ আইনগত বৈধতা পেয়েছে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি অধ্যাদেশ রহিত করা হয়েছে। এগুলো হলো—সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ, সচিবালয় সংক্রান্ত অধ্যাদেশ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত অধ্যাদেশ।
অধিবেশনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা বিলগুলো উত্থাপন করেন এবং কণ্ঠভোটে সেগুলো পাস হয়।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা বিলগুলো উত্থাপন করেন।
অবিকল পাস হওয়া ৯ বিল
অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা যেসব অধ্যাদেশগুলো অবিকল রেখে পাস হয়েছে সেগুলো হলো—
১. জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) বিল-২০২৬
২. বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) বিল-২০২৬
৩. শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) বিল-২০২৬
৪. বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) বিল-২০২৬
৫. পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) বিল-২০২৬
৬. বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) বিল-২০২৬
৭. বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিল-২০২৬
৮. স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) (সংশোধন) বিল-২০২৬
৯. আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) বিল-২০২৬।
রহিত হওয়া সুপ্রিম কোর্টের দুই বিল
অধিবেশনে ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫’ রহিত করে ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল-২০২৬’ এবং ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল-২০২৬’ পাস করা হয়েছে। এর ফলে পূর্ববর্তী অধ্যাদেশ দুটি বাতিল হয়ে গেল।
মানবাধিকার কমিশন আইনে পরিবর্তন
এছাড়া ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৪’ রহিত করে ২০০৯ সালের মূল ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন’ পুনঃপ্রচলন করার লক্ষ্যে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬’ পাস করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মানবাধিকার কমিশনের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে ২০০৯ সালের আইনি কাঠামো পুনরায় ফিরে এলো।
সংসদীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিলগুলো উত্থাপনের পর কণ্ঠভোটে পাস হয়। এ সময় সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
হাফিজ/ আয়না নিউজ