সংসদ কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এটি জনগণের সার্বভৌমত্বের কেন্দ্র উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, জাতীয় সংসদ হবে জাতির দর্পণ, এবং আমাদের লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের কারণেই আজকের সংসদ গড়ে উঠেছে। এবারের সংসদকে তিনি ‘মজলুমদের সংসদ’ ও ‘ঐতিহাসিক’ হিসেবে অভিহিত করছেন। তিনি সংবিধান এবং কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী সংসদ পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দেন।
রোববার (২৯ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের মুলতবি বৈঠক শুরু হয়। এ বৈঠকে প্রথমবারের মতো সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে আনুষ্ঠানিক ভাষণে ডেপুটি স্পিকার বলেন, সংসদ পরিচালনা পূর্ণ নিরপেক্ষতা এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে হবে।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে সরকার ও দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং স্পিকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সংসদের প্রতিটি সদস্যের অধিকার, মর্যাদা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে কাজ করবেন।
বিশ্বের বিরল এই সংসদে বিভিন্ন পটভূমির মানুষ সমবেত হয়েছে ফাঁসির মঞ্চের কন্ডেম সেল, আয়নাঘর, দীর্ঘ নির্বাসন বা গুম-নির্যাতনের স্মৃতি নিয়ে। কায়সার কামাল আইনের উর্ধ্বে কেউ নয় বলে উল্লেখ করেন এবং সরকার ও জনগণসহ সকলকে আইনের অধীনে থাকার আহবান জানান।
বক্তব্যের শেষে তিনি জাতীয় স্বার্থে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও গঠনমূলক সমালোচনার সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহবান জানান।