বিশেষ প্রতিনিধি, Hafizur Rahman।।
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালকসহ পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) পদ্মা নদী থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ফোরকান মিয়া পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেফতারে পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছিল। এরই মধ্যে পদ্মা সেতুর ওপর থেকে একটি ব্যাগ ও কিছু জামাকাপড় উদ্ধার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরে যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত হওয়া যায়, উদ্ধার হওয়া আলামতগুলো ফোরকানের।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের পর ফোরকান পদ্মা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর বৃহস্পতিবার পদ্মা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
গত শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের ভাড়া বাড়িতে এ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২), এবং তার শ্যালক রসুল মিয়া।
আরও পড়ুন :
হাতীবান্ধা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত
স্থানীয়রা জানান, পেশায় প্রাইভেটকার চালক ফোরকান মিয়া প্রায় এক বছর আগে রাউতকোনা গ্রামের ওই বাড়ির নিচতলা ভাড়া নেন। তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরের মেরী গোপীনাথপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আতিয়ার রহমান মোল্লা।
ঘটনাটি এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। হত্যার পেছনের কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
হাফিজ/ আয়না নিউজ