রবীন্দ্রনাথের ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান গানের সুর আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে চিলমারীতে। তবে এ কোনো দাবদাহ নয়, বরং প্রকৃতির এক মায়াবী আগুন। চিলমারীর লোকালয় আর রাস্তার ধারের শিমুল গাছগুলো জানান দিচ্ছে ঋতুরাজ বসন্তের সরব উপস্থিতি।
চিলমারীর জনপদে মানুষের ঢল শিমুলের এই রাজকীয় সাজ দেখতে । উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের বালাবাড়ি মালেক মোড় থেকে সাদুল্লা যাওয়ার সড়কে সারি সারি এমন শিমুল গাছ নজর কেড়েছে দর্শনার্থীদের। দেখলে মনে হবে যেন লালগালিচা বিছিয়ে রাখা হয়েছে। যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি ভুলে প্রশান্তির খোঁজে পর্যটকরা সবাই ব্যস্ত ফাগুনের এই মুহূর্তটিকে ফ্রেমবন্দি করতে।
শিমুল গাছ কেবল তুলা সংগ্রহের উৎস থাকলেও এখন তা বিনোদনের নতুন এক অনুষঙ্গ। প্রতিবছর বসন্তের এই কয়েকটা দিন চিলমারীর মেঠো পথগুলো পায় উৎসবের আমেজ। আগের তুলনায় বড় বড় শিমুল গাছের সংখ্যা কমে গেলেও যেটুকু টিকে আছে তা রক্ষায় সচেতনতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা।