আমরা সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যা একজন মা দেখেন। এমনটাই বরলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়তে চাই। যে বাংলাদেশে একজন মানুষ নিরাপদে ঘর থেকে বের হতে পারে এবং নিরাপদে ঘরে ফিরে আসতে পারে।’
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন,বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। এই দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে তেমনি সমতলের মানুষ আছে। আমরা চাই সকলে মিলে এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যে স্বপ্ন একজন মা দেখে।
এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১২টায় তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার (ফ্লাইট নং বিজি-২০২) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে তিনি বিমানবন্দরে নামেন। পরে দুপুর ১২টা ৩৬ মিনিটে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের উদ্দেশে রওনা হন।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সিআইপি গেট থেকে বুলেটপ্রুফ বাসে করে তিনি অনুষ্ঠানে যান। বাসটির গায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং দলের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বড় আকারের প্রতিকৃতি শোভা পায়।
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরগামী ইনকামিং ও আউটগোয়িং সড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো বিমানবন্দর সড়ক।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ঢাকায় পৌঁছানোর কিছুক্ষণ আগে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আবেগঘন এক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, “দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে!”
জানা গেছে, বাংলাদেশ সময় বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে বিমানটি। এর আগে বুধবার রাত সোয়া ৮টায় লন্ডনের নিজ বাসা থেকে বের হন তারেক রহমান। স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে রাত সোয়া ১০টায় তিনি হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান।