বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস, ট্রেন ও লঞ্চে করে লাখো নেতা-কর্মী ও সমর্থক ঢাকায় প্রবেশ করছেন।
বৃহস্পতিবার ( ২৫ ডিসেম্বর ) সকাল থেকেই রাজধানীর পূর্বাচলের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে, যা ‘৩০০ ফিট’ নামে পরিচিত, সেখানে নির্মিত সংবর্ধনা মঞ্চের সামনে অবস্থান নিতে শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। জাতীয় ও দলীয় পতাকা, স্লোগান ও প্ল্যাকার্ডে পুরো এলাকা পরিণত হয় উৎসবমুখর জনসমুদ্রে।
এই জনসমাগমের মধ্যেই দেখা যায় এক ব্যতিক্রমী দৃশ্য। শেরপুর থেকে আসা অটোচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন কাঁধে প্রায় ৫০ কেজি ধান নিয়ে সারারাত খোলা গায়ে রাস্তায় অবস্থান করেছেন। তিনি জানান, শেরপুর থেকে এসেছি শুধু প্রিয় নেতাকে দেখব বলে। কাঁধে প্রায় ৫০ কেজি ধান নিয়ে সারারাত খালি গায়ে কাটিয়েছি। আমার কোনো শীত লাগেনি, উল্টো গরম লাগছে। নেতা আসছেন, শীত কী আসে যায়। তাকে না দেখে এখান থেকে যাব না। ধানগুলো তারেক রহমানকে দিতে চাই।
এর আগে, বুধবার লন্ডনের স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন তারেক রহমান।
বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানাবেন। এরপর তিনি সংবর্ধনাস্থলে যাবেন এবং সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন।
পরবর্তীতে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। সেখান থেকে বিমানবন্দর সড়ক হয়ে কাকলী মোড় অতিক্রম করে গুলশান-২ নম্বরে তার বাসভবনে ফিরবেন।