ব্লুটুথ প্রযুক্তি বর্তমান যুগের নিত্যদিনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অফিস কিংবা বাসায় কাজের প্রয়োজনে অথবা ক্লান্তি দূর করতে হাতের কাছেই রাখি শখের এয়ারপডটি। তারহীন এই প্রযুক্তি এবং এর থেকে নির্গত রেডিয়েশন বা বিকিরণ আমাদের মস্তিষ্কের কোনো ক্ষতি করছে কিনা, তা নিয়ে জনমনে দীর্ঘদিনের উদ্বেগ রয়েছে।
ব্লুটুথ হলো একটি স্বল্পপাল্লার বেতার তরঙ্গ, যা দুটি ডিভাইসের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। এটি থেকে নন-আয়োনাইজিং রেডিয়েশন নির্গত হয়। এক্স-রে বা পারমাণবিক বর্জ্যের মতো আয়োনাইজিং রেডিয়েশন ডিএনএ-র ক্ষতি করলেও, ব্লুটুথের নন-আয়োনাইজিং বিকিরণের সেই শক্তি নেই। ফলে এটি সরাসরি ক্যানসারের কারণ হওয়ার কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
ব্লুটুথ ডিভাইসগুলো মোবাইল ফোনের তুলনায় অনেক কম বিকিরণ ছড়ায়। এমনকি অ্যাপল এয়ারপডের মতো আধুনিক ডিভাইসের অ্যান্টেনাগুলো কানের বাইরের অংশে থাকে বলে ঝুঁকি আরও কমিয়ে দেয়।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘক্ষণ উচ্চশব্দে গান শুনলে স্থায়ীভাবে শ্রবণশক্তি নষ্ট হতে পারে। তবে তারযুক্ত হেডফোন ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ বিকল্প। ব্যবহার শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কান থেকে ডিভাইসটি খুলে রাখাও নিরাপদ।
পরিশেষে, ব্লুটুথ ডিভাইস ব্যবহারে ক্যানসার বা মস্তিষ্কের ক্ষতির কোনো কারন না থাকলেও, শ্রবণশক্তি রক্ষায় এবং দুর্ঘটনা এড়াতে সচেতন ব্যবহারই এর প্রধান সমাধান।
সূর্যয় / আয়না নিউজ