লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা কার্যালয়ের নির্ধারিত স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দুপুরে চন্দ্রগঞ্জ বাজারে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে চন্দ্রগঞ্জ, হাজিরপাড়া, উত্তর জয়পুর ও চরশাহী ইউনিয়নের শতাধিক বাসিন্দা অংশ নেন। তারা দাবি করেন, উপজেলা পরিষদের কার্যালয় চন্দ্রগঞ্জ ও হাজিরপাড়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপন করা হলে সাধারণ মানুষ সহজেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংকসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারবে।
বক্তারা আরও বলেন, প্রস্তাবিত ওই এলাকায় প্রায় ১১ একর সরকারি খাস জমি রয়েছে। ফলে নতুন করে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না। জনস্বার্থ বিবেচনায় সরকারকে উপজেলা কার্যালয়ের স্থান পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হারুনুর রশিদ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফুয়াদ হোসেন, সাংবাদিক মোহাম্মদ হাসান, প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র দেলোয়ার হোসেন মানিক এবং ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলামসহ অনেকে।
এ বিষয়ে ২২ মে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমাকে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি বলেন, মানববন্ধনের বিষয়টি তাদের জানা নেই এবং সরকারি গ্যাজেট অনুযায়ীই কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২ জুন লক্ষ্মীপুর সদর থানাকে বিভক্ত করে চন্দ্রগঞ্জকে পৃথক থানা ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে চলতি বছরের ৭ মে সচিবালয়ে নিকার বৈঠকে চন্দ্রগঞ্জকে উপজেলা ঘোষণা করা হয়। ১৯ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গেজেট প্রকাশ করে চরচামিতা ও বটতলি মৌজাকে উপজেলার সদর দপ্তর হিসেবে উল্লেখ করে।
মেহেদী/ হাফিজ/ আয়না নিউজ