| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পাম্প চালু রাখতে পুলিশের সহায়তা চাইলো মালিকরা

  • আপডেট টাইম: 23-03-2026 ইং
  • 141507 বার পঠিত
নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পাম্প চালু রাখতে পুলিশের সহায়তা চাইলো মালিকরা

জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়া এবং ভোক্তাদের চাপ বেড়ে যাওয়ায় সারা দেশে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তায় পাম্প চালু রাখার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সংগঠনের আহবায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল সোমবার দুপুরে এক বার্তায় জানান, বিশ্বব্যাপী ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের ডিপোগুলো থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। সাময়িকভাবে সরবরাহ আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

তিনি বলেন, সরবরাহ সংকটের মধ্যে দেশের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ ভোক্তাদের ভিড় বেড়ে গেছে। কোথাও কোথাও স্টাফদের ওপর হামলা এবং পাম্প ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটছে।

এ অবস্থায় পাম্প মালিক ও কর্মীদের নিজ নিজ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে পাম্প চালু রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে কারও নির্দেশের অপেক্ষা না করে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। বার্তার অনুলিপি দেশের সব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, জ্বালানি সরবরাহ ও বণ্টন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়, বাঘাবাড়ি ডিপোসহ বিভিন্ন ডিপো থেকে পেট্রোল ও অকটেন বরাদ্দ ট্যাংক লরির নির্ধারিত ধারণক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হচ্ছে না।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাধারণত একটি ট্যাংক লরির প্রতিটি চেম্বারের ধারণক্ষমতা ৪ হাজার ৫০০ লিটার হলেও অনেক ক্ষেত্রে ২ থেকে ৩ হাজার লিটার করে জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে। এতে পরিবহন ব্যয় বেড়ে গিয়ে পাম্প মালিকরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

এছাড়া, অনেক মালিক কম বরাদ্দের কারণে তেল উত্তোলনে অনাগ্রহী হলে তা বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে সরবরাহ করা হচ্ছে, যা কালোবাজারে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। ফলে ভবিষ্যতে বাজার অস্থিতিশীলতা ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় ট্যাংক লরির পূর্ণ ধারণক্ষমতা অনুযায়ী পেট্রোল ও অকটেন বরাদ্দ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রতন স্বাক্ষরিত চিঠিটি যমুনা, মেঘনা ও পদ্মা অয়েল কোম্পানির কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪