বিশেষ প্রতিনিধি, nipon।।
গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি:
নাটোরের গুরুদাসপুরে পুর্ব শত্রুতার জেরে সেচ যন্ত্রের সাহায্যে বিষাক্ত পানি ঢেলে পুকুরের মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ মিলন হোসেনের বিরুদ্ধে। সুবিচার পেতে ভুক্তোভোগী হাবিবুর রহমান গুরুদাসপুর থানায় অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শুক্রবার (১৩) মার্চ উপজেলার বিয়াঘাট শিয়ানপাড়া কবরস্থান সংল্গন ক্ষতিগ্রস্ত পুকুর পাড়ে মানববন্ধন শেষে সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় এলাকার অন্তত শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অভিযুক্ত মিলন হোসেন উপজেলার বিয়াঘাট উত্তর পাড়া গ্রামের ময়েজ উদ্দিনের ছেলে। অভিযোগের কপি ও এলাকাবাসীসূত্রে জানাগেছে, ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমান ও তার এক সহযোগী বিয়াঘাট কবরস্থানের একটি পুকুর লিজ নিয়ে সেখানে চাষ করে আসছিলেন। লীজকৃত পুকুরের পশ্চিমপাড় বরাবর অভিযুক্ত মিলন হেসেনের সেচযন্ত্রের নালা চলে গেছে। নালার অনেক জায়গায় ভাঙ্গা অংশ দিয়ে পুকুরে পানি প্রবেশ করে। সম্প্রতি পানি বন্ধ করা নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। গত ৯ মার্চ বুধবার মিলন ওই নালা দিয়ে বিলের দুষিত পচা পানি দিয়ে রোরো জমিতে সেঁচ দিতে গেলে বেশ কিছু পানি পুকুরে প্রবেশ করে। এতে বিষক্রিয়ায় পুকুরের সমস্ত মাছ মারা যায়।
এ ঘটনায় হাবিবুর রহমান বাদি হয়ে মিলন হোসেনের নামে গুরুদাসপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে হাবিবুর রহমান জানান, নালা মেরামত করার জন্য মিলনকে বেশ কয়েকবার বললেও তিনি গায়ের জোরে তা অগ্রায্য করেছেন। তিনি ধার-দেনা করে মাছ চাষ করেছেন। পুকুরের সমস্ত মাছ মরে যাওয়ায় পথে বসে গেছেন। এতে তার ১৮ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে।তিনি ক্ষতিপুরণ দাবী ও দোষী মিলনের শাস্তি দাবী করেন।
অভিযুক্ত মিলন হোসেন বলেন,তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও ভিক্তিহীন।
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুজ্জামান সরকার বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয় হবে।