বিশেষ প্রতিনিধি, nipon।।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা পদে নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।
বুধবার ( ৩ ডিসেম্বর ) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইয়ারুল ইসলাম এই রিট দায়ের করেন। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনের সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার পদে নির্বাহী কর্মকর্তাদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।
রিটে আদালতের কাছে আবেদন করা হয়েছে, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য। যদিও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
ইয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তাদের দিয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় পরিচালনা এবং নির্বাচন পরিচালনা সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। নির্বাচন কমিশনকে একটি পূর্ণ স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা উচিত, যার নিজস্ব ক্যাডার সার্ভিস এবং লোকবল থাকা বাধ্যতামূলক।”
রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব কমিশনের, আর নির্বাহী বিভাগ কেবল সহযোগিতা করবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, জেলা ও উপজেলা প্রশাসকরা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন।
ইয়ারুল ইসলাম আরও বলেন, “সরকার ও নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। তাদের হাতে দায়িত্ব দিলে নির্বাচন প্রভাবিত ও একপেশে হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”
রিটে নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব ক্যাডার সার্ভিস গঠন, ইলেকটোরাল সার্ভিস কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় নির্বাচনে শুধু কমিশনের নিজস্ব কর্মকর্তাদের নিয়োগের নির্দেশ চাওয়া হয়েছে।
রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশন, সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এটি হাইকোর্টে শুনানির জন্য উপস্থাপন হতে পারে।