বিশেষ প্রতিনিধি, nipon।।
জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার উদ্বেগের কথা বলে ইউরোপের বাইরে থাকা ১৯টি দেশের সব ধরনের অভিবাসন আবেদন অস্থায়ীভাবে স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে । যে ১৯ দেশের নাগরিকদের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে, তারা এরই মধ্যে আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিলেন।
তালিকায় রয়েছে আফগানিস্তান, সোমালিয়া, ইরান, লিবিয়া, ইয়েমেনসহ মোট ১৯টি দেশ। জুলাই মাসেই এসব দেশের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল; নতুন নীতিতে তাদের সব ধরনের বৈধ অভিবাসন আবেদনও স্থগিত হলো।
সরকারের নতুন স্মারকে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় আফগানিস্তানের এক নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই হামলায় একজন গার্ড সদস্য নিহত হন এবং আরেকজন গুরুতর আহত হন। এই ঘটনাসহ সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি অপরাধই নতুন সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছে।
এ বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অভিবাসন আইন প্রয়োগে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। ফেডারেল এজেন্ট মোতায়েন, সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ফিরিয়ে দেওয়া—সব মিলিয়ে অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে প্রশাসন।
নতুন নীতি অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর কোনো নাগরিক এখন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের আবেদন করতে পারবেন না। পূর্বে জমা দেওয়া আবেদনগুলোও পুনঃপর্যালোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে সাক্ষাৎকার বা পুনঃসাক্ষাৎকারের নির্দেশও রয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি এটি যুক্তরাষ্ট্রের সুরক্ষার স্বার্থে নেওয়া জরুরি পদক্ষেপ। তবে মানবাধিকার সংস্থা ও অভিবাসন কর্মীরা বলছেন, এটি বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থাকেও বাধাগ্রস্ত করবে।
সূত্র: রয়টার্স