বিশেষ প্রতিনিধি, Hafizur Rahman।।
ঝিনাইদহ জেলায় আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের গরু পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। কোরবানির হাটে পশু তোলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে খামারগুলোতে চলছে গোসল, খাবার দেওয়া এবং যত্নসহকারে পরিচর্যার কাজ।
তবে চলমান তীব্র গরমে পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। বিশেষ করে গরুকে অতিরিক্ত গরম থেকে রক্ষা করতে নিয়মিত গোসল করানো, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সঠিক সময়ে খাবার দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এবার ঝিনাইদহে কোরবানির পশুর চাহিদার তুলনায় প্রায় ৫৬ হাজার ৯৭৭টি গরু ও ছাগল উদ্বৃত্ত রয়েছে।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চরখাজুরা দক্ষিণপাড়া গ্রামের খামারি মনোয়ার হোসেন জানান, তার খামারে থাকা ৭টি গরুর প্রতিটির ওজন ও মান অনুযায়ী দাম পাওয়া যাবে প্রায় আড়াই লাখ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত। বিক্রির জন্য শেষ মুহূর্তে তিনি প্রতিদিনই গরুগুলোর যত্ন নিচ্ছেন।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায়ও একই চিত্র দেখা গেছে। খামারিরা নিয়ম মেনে গরু গোসল করানো, বিচালী, খড়, ছোলা ও ভূষি খাওয়ানোর মাধ্যমে পশু প্রস্তুত করছেন। তাদের অভিযোগ, কিছু ক্ষেত্রে পশুখাদ্যের দাম বাড়লেও ভূষি ও খৈলের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও বিচালীর দাম কিছুটা কমেছে।
খামারিদের মতে, কোরবানির মৌসুমে ৭ থেকে ৮ মাস ধরে গরু মোটাতাজাকরণ করা হয়। বাজারে দাম ভালো পাওয়া গেলে লাভের আশা থাকে, না হলে ক্ষতির শঙ্কাও থেকে যায়।
এদিকে, কোরবানির হাটে পশুর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম গঠন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। হাটগুলোতে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা দিতে এসব টিম প্রস্তুত থাকবে।
ইমন/ হাফিজ/ আয়না নিউজ