বিশেষ প্রতিনিধি, nipon।।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। তবে পাওয়ার প্লের শেষ দিকে হঠাৎ ব্যাটিং ধসে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। পরে বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হয়ে যায়।
ইনিংসের শুরুতে সাবলীল ছিল বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি। তিন ওভার শেষে কোনো উইকেট না হারিয়ে ২১ রান তোলে দল। দ্বিতীয় ওভারে সাইফ হাসানের দুটি বাউন্ডারিতে আসে ১২ রান, যা দলকে ভালো ভিত্তি এনে দেয়।
কিন্তু চতুর্থ ওভারেই প্রথম ধাক্কা। জেইডন লেনক্সের বলে মিড-অফে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাইফ হাসান। ১১ বলে ১৬ রান করে আউট হন তিনি। এরপর ক্রিজে নেমেই লিটন দাস আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন, তিন বলে একটি চার ও একটি ছক্কায় তোলেন ১২ রান।
পঞ্চম ওভারে বড় বিপর্যয় নেমে আসে বাংলাদেশের ইনিংসে। নাথান স্মিথের এক ওভারে দুই উইকেট হারায় দল। প্রথমে তানজিদ হাসান তামিম বোল্ড হন, পরের বলেই পারভেজ হোসেন ইমন ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফিরে যান। টানা দুই বলে দুই উইকেট পড়ে গেলেও তাওহীদ হৃদয় হ্যাটট্রিক হতে দেননি।
মাত্র ১০ বলের মধ্যে ১৪ রান তুলতেই তিনটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লে শেষে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৪৩ রান।
এরপর সপ্তম ওভারের চতুর্থ বলের পর বৃষ্টির হানা দেয়। খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ৬.৪ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫০ রান। লিটন দাস ২৫ রানে অপরাজিত আছেন, তার সঙ্গে রয়েছেন তাওহীদ হৃদয় ২ রানে।
এর আগে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক নিক কেলি। সিরিজ নির্ধারণী এই ম্যাচে বাংলাদেশ একাদশে একটি পরিবর্তন এনেছে—ইনজুরির কারণে তানজিম হাসান সাকিবের জায়গায় দলে ফিরেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
অন্যদিকে, সিরিজ বাঁচাতে নিউজিল্যান্ড একাদশে দুটি পরিবর্তন আনে। বেন লিস্টার ও ম্যাট ফিশারের জায়গায় দলে সুযোগ পান জেডন লেনক্স ও বেন সিয়ার্স।
চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ, আর দ্বিতীয় ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়। আজকের ম্যাচেও আবহাওয়ার প্রভাব পড়ায় খেলা শেষ পর্যন্ত কতদূর গড়ায়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
হাফিজ/ আয়না নিউজ