বিশেষ প্রতিনিধি, nipon।।
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন তার পরিবার। তারা দাবি করেন, মূল অপরাধীদের সাজা আরও কঠোর হওয়া দরকার ছিলো।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।
রায়ে দুই পুলিশ সদস্য আমির হোসেন ও সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা পোমেল বড়ুয়ার ১০ বছরের কারাদণ্ড, প্রক্টর শরিফুল ইসলামকে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়।
তবে পরিবারের দাবি, হত্যার মূল আদেশদাতারা ছাড়া কেবল পুলিশ সদস্য ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই)দের সাজা দেওয়া হয়েছে। আবু সাঈদের বাবা বলেন, “যাদের আদেশে আমার ছেলেকে হত্যা করা হলো, তারা তো বেঁচে গেল। এ হত্যায় জড়িত আরও বড় অপরাধীদেরও বিচার হওয়া উচিত।”
পরিবার জানায়, রাষ্ট্রের সহায়তায় আপিল করা গেলে তারা আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। তাঁর হত্যার ভিডিও দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল। ভিডিওতে দেখা যায়, আবু সাঈদ দুই হাত প্রসারিত করে সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে আছেন, আর পুলিশ তাঁর বুকে একের পর এক গুলি চালাচ্ছে। হত্যাকাণ্ডটি আন্দোলনের গতিপথ পাল্টে দেয় এবং সারা দেশে ক্ষোভ ছড়িয়ে দেয়।