মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে পেট্রোল পাম্পগুলোতে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে, যা যেকোনো সময় সারাদেশে পাম্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি করছে।
ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে মাংসের দাম বেড়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির কেজি ২৩০ টাকায় এবং সোনালী মুরগি ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ন্যাশনাল, প্রিমিয়ার, আইএফআইসি ও আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক এই ৪ ব্যাঙ্কে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়েছে
এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইটে লিটার প্রতি ৯৪ টাকা ৯৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯৫ টাকা ১২ পয়সা নির্ধারণ হয়। এছাড়া আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলোর জন্য জেট ফুয়েলের দাম লিটার প্রতি ০.৬২৪৬ ডলার থেকে বাড়িয়ে ০.৬২৫৭ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়।
জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, দেশে পর্যাপ্ত তেলের মজুদ রয়েছে এবং আগামী ৯ মার্চ আরও দুটি ভেসেল জ্বালানি তেল নিয়ে দেশে পৌঁছাবে।
মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হলেও ধীরে ধীরে কিছু গন্তব্যে বিমান চলাচল আবার শুরু হচ্ছে। বিশেষ করে ওমান ও সৌদি আরবগামী ফ্লাইটগুলো নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর বেশিরভাগ পাম্পে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি। তেল না পাওয়ায় অনেক চালক এবং ক্রেতা পাম্পে ঝগড়া ও বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ছেন। ক্রেতারা সরকারের কাছে পাম্পগুলোর প্রতি কঠোর নজরদারি করার আহ্বান জানিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে, পাশাপাশি শেয়ারবাজারে নেমেছে বড় ধরনের পতন। বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে সরে গিয়ে তুলনামূলক নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত ডলার ও স্বর্ণে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছেন।
ভোক্তা পর্যায়ে কমানো হয়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রমজানের প্রথম দিনেই নগরীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে ব্রয়লার মুরগি, সবজি, ডাল ও খেজুরের দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি সাধারণ ক্রেতাদের চাপে ফেলেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, সরবরাহে ঘাটতি নেই। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে।
একটা বিধ্বস্ত অর্থনীতি, বিধ্বস্ত রাস্ট্রব্যবস্থার ওপর দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। আমরা জনগণের ট্যাক্সে চলি, তাই জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব।